Logo
শিরোনাম
হারবাংয়ে ৩০শতক বনভূমি দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিলাইছড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় ৩০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে  অনুপস্থিত  ৬ ঈদগাঁওতে ৩ কেন্দ্রে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষা শুরু বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরকে দেখতে হাসপাতালে VL পাংখোয়া গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা ঈদগাঁওর কালিরছড়া খালে পড়ে যুবকের মৃত্যু  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়িতে  বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসব উৎযাপিত

অরক্ষিত দেশের হাজার কোটি টাকার পার্সেল বাণিজ্যখাত ক্লাইন্টের স্বার্থ সংরক্ষণে চরম উদাসীনতা সবখানে

জাহিদুল ইসলাম শিশির / আরশাদুল ইসলাম( যশোর) : বছরে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করছে দেশের পার্সেল সার্ভিসগুলো। পণ্য ও ডকুমেন্টস বহণের মাধ্যমে এ খাতের ব্যবসায়ীদের অবদান সর্বজন স্বীকৃত। তাদের ব্যবসায়িক সমৃদ্ধিও চোখে পড়ার মতো।

কিন্তু যে সব পণ্য বা ডকুমেন্টস তারা বহণ করছে তার ক্ষতিসাধন হলে সে সে ক্ষতি কীভাবে পুরণ হবে বা কে তার দায় নেবে এমন প্রশ্নে একেবারেই উদাসীন সংশ্লিষ্ট খাতের সাথে সম্পৃক্তরা।

ঘটনাটি সামনে এসেছে গত ২০জুন রাতে মেঘনা ট্রান্সপোর্টের একটি ট্রাকে আগুনে ব্যবসায়ীদের দেড় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে যাওয়ার পর।

রাজধানীর তাতীবাজার থেকে মালামাল বুকিং করে যশোরের উদ্দেশ্যে যাবার পথে আমিন বাজার পার হয়ে কিছু দুর গেলে গাড়ীতে অকষ্যৎ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে গাড়ীতে থাকা দেড় কোটি টাকার মতো মালামাল পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য অনুসারে এ গাড়ীতে একই সঙ্গে ব্যাটারী, কসমেটিক্স, জুতাসহ পোশাক লোড করা হয়। ব্যবসায়েিদর একটি সূত্র বলছে গাড়ীতে দাজ্য ক্যামিক্যালও ছিলো। সে সবের কোন একটি থেকে চলন্ত অবস্থায় গাড়ীতে আগুন লেগে যায়।

এ আগুন লাগাকে ফায়ার সার্ভিস কোম্পানীর উদানীনতাকে দায়ী করছে। তারা বলছে মালমালের যে সেপারেশন সিস্টেম থাকা দরকার, অর্থাৎ একই জাতীয় পণ্য এক একটি বিভাগে রাখলে এমন আগুনের ঘটনা ঘটতো না। কর্তৃপক্ষ তা না করে গড়পড়তা সব মালামাল একই বাউন্ডারীতে লোড করেছে । যা কোনভাবেই গ্রহনীয় নয়। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে সব ব্যবসায়ীর মালামাল পুড়ে গেল তারা কোন ক্ষুত পুরণ পাবে কিনা। পেলে সে ক্ষতিপুরণ কে বা কারা দেবে।

এ বিষয়ে জানতে মেঘনা ট্রান্সপোর্টের মালিক অদত্য কুমারকে ফোন দিলে তিনি জানান গাড়ীতে কি কি মাল ছিলো তা আমি সঠিক জানি না। আমি খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিব। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের সাথে আমি কথা বলেছি। তাদের সাথে বসে এ ব্যাপারে করনীয় নির্ধারণ করা হবে।

পার্সেল ব্যবসায় আপনাদের কোন বীমা গ্যারান্টি রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন না এমন কোন কিছু নাই। এ বিষয়ে জানতে বীমা খাতের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এমন কোন প্রভিশন আজো নাই। তাহলে কী ভাবে চলছে পাবলিকের পন্য ও ডকুমেন্টস নিয়ে বছরে হাজার কোটি টাকার ব্যবসা ! এমন প্রশ্নে অধিকাংশই কোন উত্তর দিতে পারেননি। বীমা খাতে কর্মরত সাংবাদিক নেতা গাজী আনোয়ার দৈনিক কালের ছবিকে বলেন, এ বিষয়টি আমরা এখন আইডিআর-এর দৃষ্টিতে আনবো। তারা অবশ্যই বিষয়টিতে দৃষ্টি দেবেন। তার আগে ক্ষতিগ্রস্থদের অবশ্যই ক্ষতি পুরণের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা চালু রাখার উপায খুঁজতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!